1. news1@channelmetrotv.com : admin :
রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ০৩:৫৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
যেসব সাংবাদিক অন-এয়ারে বা সরাসরি সম্প্রচারে ‘প্রয়োজনের চেয়ে বেশি’ তথ্য বলছেন বলে মনে করা হচ্ছে, কর্তৃপক্ষ তাদের তুলে নিয়ে যাচ্ছে। ‘মব কালচার’ কোনোভাবেই এগোতে দেওয়া হবে না বলে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ২৪ ঘণ্টায় ৪ মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা ধ্বংস করল ইরান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের জাতীয় সংসদের হুইপ হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ায় এমপি মোঃ নুর উদ্দিন আহাম্মেদকে সি এনএন বাংলা টিভি   আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন রূপগঞ্জে জিআই তার কারখানায় হামলা: ১০ দিনেও গ্রেফতার নেই, আতঙ্কে শ্রমিকরা ফতুল্লার পাগলায় ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে দুর্ধর্ষ ডাকাতি, ভিডিও ফুটেজে চাঞ্চল্য বন্দরে ‘হানি ট্র্যাপ’ চক্রের পাঁচ সদস্য গ্রেফতার, কলেজ ছাত্র উদ্ধার সোনারগাঁয়ে কৃষিজমির মাটি কাটা নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ২০ ওসিগিরি করতে হলে আমাকে জিজ্ঞেস করে করতে হবে—বিতর্কিত বক্তব্যের পর বিএনপি নেতা আটক বন্দরে বিকাশ এজেন্ট কর্মীর কাছ থেকে তিন লাখ টাকা ছিনতাই

আধুনিকতা কিছু ক্ষেত্রে মানুষকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেয় কী ?

মোঃ মোশাররফ হোসেন ঢাকা, বাংলাদেশ
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ৬১৮ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
পুরোনো দিনের পরিবারের আড্ডার ছবি
পুরোনো দিনের পরিবারের আড্ডার ছবি

পূর্বে আমরা বিকালে খেলাধুলা, আড্ডা দিয়ে সন্ধ্যা নামার পূর্ব মূহুর্তে বাসায় ফিরতাম। যদি একটু দেরি হতো তাহলে বোনাস হিসেবে বকা, ঝাড়ুর বারি ইত্যাদি এইসব ফ্রি থাকতো। আর এখনকার ছেলেমেয়েরা সন্ধ্যার পরে আড্ডা দেয়ার জন্য ঘর থেকে বের হয়। নেই কোনো শাসন-বারণ। হারিয়ে ফেলছি এক অদ্ভুত বৈচিত্র্যের লুকায়িত আদরমাখাময় শাসন… পূর্বে আমাদের বাপ-দাদারা চিঠি দিয়ে ভালোবাসার মানুষের কাছে তার মনের ভাব প্রকাশ করতো। এবং সেই চিঠির উত্তর পাওয়ার জন্য দিনের পর দিন অপেক্ষা করতে হতো। সেই অপেক্ষার মাঝে একটা নির্ভেজাল আবেগ ও অনুভূতি কাজ করতো। আর এখন আমরা অনায়সেই একটা টেক্সটের মাধ্যমেই অপরজনের নিকট মনের ভাব প্রকাশ করতে পারছি। কিন্তু উত্তর পেতে এক সেকেন্ড দেরিও সহ্য করতে পারি না। হারিয়ে ফেলছি আমাদের নিষপাপ নির্ভেজাল মনের আবেগ ও অনুভূতিকে… পূর্বে একটা পরিবার বলতে অনেক কয়জন মানুষের সমাহারকে বুঝতাম। যেখানে থাকতো বুড়া-বুড়িদের নিয়ে হাসি ঠাট্টার এক জমকালো আসর। তখনকার বুড়া-বুড়িরা প্রাণখুলে হাসতে জানতো। জানতো না বৃদ্ধাশ্রম নামে আরেকটা তাদের বাড়ি আছে। কিন্তু এখনকার বুড়া-বুড়িরা জেনে গেছে তাদের শেষ ঠিকানা হবে ছোট্ট চার দেয়াল নামক বৃদ্ধাশ্রম। এখন বৃদ্ধাশ্রমের সংখ্যাও দিন দিন বেড়ে চলছে। কেননা এখন পরিবার বলতে ‘আমি’কে বুঝি আমরা। হারিয়ে ফেলছি পরিবারের প্রতি সম্মান, শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা…. সময়ের সাথে যুগ পাল্টাবে এটাই স্বাভাবিক। এবং সময়ের সাথে নিজেকেও পরিবর্তন করা বুদ্ধিমানের কাজ। কিন্তু সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে গিয়ে আমরা বিসর্জন দিচ্ছি আমাদের আবেগ , অনুভূতি ও মূল্যবোধকে… সময়ের সাথে আমিও তাল মিলিয়ে চলতে চাই কিন্তু রোবট হয়ে কেনো…? সময় কি আমাদের রোবট বানাচ্ছে নাকি আমরাই রোবট হয়ে সময়কে দোষারোপ করছি….?

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
All rights reserved © 2025
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD
jp-b61d35f558d32a0f3936