অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেইজ-২ এর আওতায় সিদ্ধিরগঞ্জে গ্রেফতার ওয়ার্ড জাসাস নেতা মিলন—নেপথ্যে চক্রান্তের অভিযোগ, সর্বমহলে নিন্দা।
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেইজ-২ এর অংশ হিসেবে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থানাধীন ৪ নম্বর ওয়ার্ডে বৈষম্যবিরোধী একটি মামলায় গ্রেফতার হয়েছেন সাবেক যুবদল কর্মী ও বর্তমান ওয়ার্ড জাসাস নেতা মিলন।
পুলিশ জানায়, মামলার তদন্তের অংশ হিসেবেই তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে গ্রেফতারের পরপরই বিষয়টি নিয়ে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা।
স্থানীয় সূত্র ও দলীয় নেতাকর্মীদের অভিযোগ, মিলনের বিরুদ্ধে আনা বৈষম্যবিরোধী মামলাটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তারা দাবি করেন, কিছু স্বার্থান্বেষী মহল—যাদের স্থানীয়ভাবে ‘মালাবাজ’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়—চক্রান্ত করে মিলনের নাম মামলায় অন্তর্ভুক্ত করেছে।
অভিযোগ রয়েছে, খোদ বিএনপির ভেতরেরই কতিপয় ব্যক্তি এই ষড়যন্ত্রে জড়িত, যার ফলে একজন পরিচ্ছন্ন রাজনৈতিক কর্মী হয়রানির শিকার হয়েছেন।
“মিলন একজন নির্যাতিত নেতা। তাকে পরিকল্পিতভাবে ফাঁসানো হয়েছে। আমরা এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করছি।”
ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও গ্রেফতারকে ‘রাজনৈতিক প্রতিহিংসা’ আখ্যা দিয়ে নিন্দার ঝড় বইছে।এদিকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বলছে, তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত চূড়ান্ত মন্তব্য করা যাবে না।মিলনের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ কতটা সত্য, নাকি এটি রাজনৈতিক চক্রান্ত—তা এখন তদন্তের ওপরই নির্ভর করছে। তবে বিষয়টি নিয়ে সর্বমহলে যে প্রশ্ন উঠেছে, তা স্পষ্ট।


Leave a Reply