1. news1@channelmetrotv.com : admin :
রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ০৮:১৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
যেসব সাংবাদিক অন-এয়ারে বা সরাসরি সম্প্রচারে ‘প্রয়োজনের চেয়ে বেশি’ তথ্য বলছেন বলে মনে করা হচ্ছে, কর্তৃপক্ষ তাদের তুলে নিয়ে যাচ্ছে। ‘মব কালচার’ কোনোভাবেই এগোতে দেওয়া হবে না বলে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ২৪ ঘণ্টায় ৪ মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা ধ্বংস করল ইরান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের জাতীয় সংসদের হুইপ হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ায় এমপি মোঃ নুর উদ্দিন আহাম্মেদকে সি এনএন বাংলা টিভি   আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন রূপগঞ্জে জিআই তার কারখানায় হামলা: ১০ দিনেও গ্রেফতার নেই, আতঙ্কে শ্রমিকরা ফতুল্লার পাগলায় ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে দুর্ধর্ষ ডাকাতি, ভিডিও ফুটেজে চাঞ্চল্য বন্দরে ‘হানি ট্র্যাপ’ চক্রের পাঁচ সদস্য গ্রেফতার, কলেজ ছাত্র উদ্ধার সোনারগাঁয়ে কৃষিজমির মাটি কাটা নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ২০ ওসিগিরি করতে হলে আমাকে জিজ্ঞেস করে করতে হবে—বিতর্কিত বক্তব্যের পর বিএনপি নেতা আটক বন্দরে বিকাশ এজেন্ট কর্মীর কাছ থেকে তিন লাখ টাকা ছিনতাই

নোয়াখালীর হাতিয়ার মেঘনা নদীতে ধরা পড়েছে এক বিশাল আকৃতির কোরাল মাছ,ওজনে ২১ কেজি।

রিপোটারের নাম
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ৯ জুন, ২০২৫
  • ২৮০ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

নোয়াখালী প্রতিনিধি: নোয়াখালীর হাতিয়ার মেঘনা নদীতে ধরা পড়েছে এক বিশাল আকৃতির কোরাল মাছ। ওজনে ২১ কেজি হওয়া এ মাছটি স্থানীয় বাজারে নিলামের মাধ্যমে ২৯ হাজার ৪০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। মাছটি কেজিপ্রতি ১,৪০০ টাকায় কিনে নেন স্থানীয় ব্যবসায়ী আলতাফ বেপারি।রোববার রাতে নিঝুমদ্বীপ ইউনিয়নের মেঘনা নদীতে জাল ফেলেন স্থানীয় জেলে জামশেদ মাঝি। পরদিন সোমবার সকালে নামার বাজারে ইব্রাহিম মৎস্য আড়তে মাছটি নিয়ে এলে নিলামের আয়োজন করা হয়।

ইব্রাহিম মৎস্য আড়তের পরিচালক মো. সোহেল জানান, ‘জেলে জামশেদ মাঝি ২১ কেজি ওজনের একটি বিরল কোরাল মাছ আমাদের আড়তে নিয়ে আসেন। নিলামে তা ২৯ হাজার ৪০০ টাকায় বিক্রি হয়। সাধারণত ১৭-১৮ কেজির কোরাল মাঝে মাঝে দেখা যায়, কিন্তু এ বছর এত বড় কোরাল এই প্রথম।’

আড়তের স্বত্বাধিকারী মো. ইব্রাহিম বলেন, ‘নিঝুমদ্বীপ ইউনিয়নের জেলেরা নদীতে মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করেন। মেঘনা নদীতে প্রায়ই বড় আকৃতির মাছ পাওয়া যায়। এবার বড় কোরাল পাওয়ায় দামে অনেক ভালো মিলেছে। এতে স্থানীয় জেলেদের মধ্যে উৎসাহ বাড়বে।’

হাতিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আলাউদ্দিন বলেন, ‘সরকার যে সময়োপযোগী নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে, তা বাস্তবায়নের ফলে নদী ও সাগরে বড় মাছের প্রাচুর্য দেখা যাচ্ছে। মেঘনায় এখন বড় বড় পাঙাশ ও কোরাল নিয়মিত ধরা পড়ছে। এই ধারা অব্যাহত থাকলে জেলেদের আয় বৃদ্ধি পাবে এবং মৎস্যসম্পদও রক্ষা পাবে।’

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
All rights reserved © 2025
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD
jp-b61d35f558d32a0f3936