1. news1@channelmetrotv.com : admin :
রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ০৫:২৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
যেসব সাংবাদিক অন-এয়ারে বা সরাসরি সম্প্রচারে ‘প্রয়োজনের চেয়ে বেশি’ তথ্য বলছেন বলে মনে করা হচ্ছে, কর্তৃপক্ষ তাদের তুলে নিয়ে যাচ্ছে। ‘মব কালচার’ কোনোভাবেই এগোতে দেওয়া হবে না বলে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ২৪ ঘণ্টায় ৪ মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা ধ্বংস করল ইরান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের জাতীয় সংসদের হুইপ হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ায় এমপি মোঃ নুর উদ্দিন আহাম্মেদকে সি এনএন বাংলা টিভি   আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন রূপগঞ্জে জিআই তার কারখানায় হামলা: ১০ দিনেও গ্রেফতার নেই, আতঙ্কে শ্রমিকরা ফতুল্লার পাগলায় ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে দুর্ধর্ষ ডাকাতি, ভিডিও ফুটেজে চাঞ্চল্য বন্দরে ‘হানি ট্র্যাপ’ চক্রের পাঁচ সদস্য গ্রেফতার, কলেজ ছাত্র উদ্ধার সোনারগাঁয়ে কৃষিজমির মাটি কাটা নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ২০ ওসিগিরি করতে হলে আমাকে জিজ্ঞেস করে করতে হবে—বিতর্কিত বক্তব্যের পর বিএনপি নেতা আটক বন্দরে বিকাশ এজেন্ট কর্মীর কাছ থেকে তিন লাখ টাকা ছিনতাই

একটি গর্ত দিয়ে মাটির ৩৫ ফুট গভীরে পড়ে গেছে ২ দুই বছরের এক শিশু

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ১৭ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

রাজশাহীর তানোর উপজেলায় ৮ ইঞ্চি ব্যাসার্ধের সরু একটি গর্ত দিয়ে মাটির ৩৫ ফুট গভীরে পড়ে গেছে ২ দুই বছরের এক শিশু। বুধবার দুপুর সোয়া ১টার দিকে উপজেলার পাচন্দর ইউনিয়নের কোয়েলহাট পূর্বপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ৩টি ইউনিট শিশুটিকে উদ্ধারের চেষ্টা করছে।

ঘটনাস্থলে বিপুলসংখ্যক মানুষ উৎকণ্ঠা নিয়ে অপেক্ষা করছেন। শিশুটির নাম সাজিদ। তার বাবার নাম রাকিবুল ইসলাম। কোয়েলহাট পূর্বপাড়া গ্রামেই তার বাড়ি।স্থানীয়রা জানান, গ্রামের পাশের এ জমিটির মালিক কছির উদ্দিন নামের এক ব্যক্তি। এক বছর আগে কছির উদ্দিন তার জমিতে সেচের জন্য একটি সেমিডিপ নলকূপ বসানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু ৩৫ ফুট বোরিং করার পর সেখানে পানি পাননি। তাই নলকূপ বসানো হয়নি। এক বছর ধরে ৮ ইঞ্চি ব্যাসার্ধের গর্তটি সেভাবেই পড়ে ছিল।

বুধবার দুপুরে শিশুটির মা ওই মাঠে ধানগাছের খড় নিতে যান। ওই সময় সাজিদ খেলতে গিয়ে গর্তে পড়ে মাটির ভেতরে ঢুকে যায়। স্থানীয়রা প্রথমে উদ্ধারের চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে ফায়ার সার্ভিসে খবর দেন। পরে ফায়ার সার্ভিসের তানোর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও রাজশাহী সদর স্টেশনের তিনটি ইউনিট গিয়ে শিশুটিকে উদ্ধারের চেষ্টা শুরু করে। শিশুটিকে জীবিত রাখতে পাইপের মাধ্যমে অক্সিজেন দেওয়া হচ্ছে। গর্তের পাশে এক্সকেভেটর দিয়ে মাটি খনন করা হচ্ছে।

ফায়ার সার্ভিসের রাজশাহী স্টেশনের সহকারী পরিচালক দিদারুল ইসলাম সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে জানান, তারা আসার আগেই স্থানীয়রা শিশুটিকে উদ্ধারের চেষ্টা করেন। তখন কিছু মাটি গর্তে পড়ে গেছে। তারা ক্যামেরা পাঠিয়ে দেখার চেষ্টা করেছেন। মানুষের কোলাহলের কারণে শিশুটির কোনো সাড়া বুঝতে পারছেন না।

তিনি জানান, শিশুটিকে জীবিত উদ্ধারের জন্য তারা অক্সিজেন পাঠাচ্ছেন। পাশে এক্সকেভেটর দিয়ে খনন করছেন। এতে আরও তিন থেকে চার ঘণ্টা সময় লাগতে পারে।

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
All rights reserved © 2025
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD
jp-b61d35f558d32a0f3936